ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেই হোন নিজের বস

অনলাইন ইনকাম,অনলাইনে আয়,আউটসোর্সিং আয়

0

সারা বিশ্বে যেখানে ইন্টারনেট সহজলভ্য সেখানে যেন আউটসোর্সিংওয়ে ফ্রিল্যান্সিং বিপ্লব ঘটিয়ে চলছে। How to make money and earn money online. শিখতে মানুষ দিবারাত্র পরিশ্রম করছে।অনলাইন ইনকাম,ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং নিয়ে,ছাত্রদের ইনকাম,অনলাইনে আয় নিয়ে তরুণদের মধ্যে চলছে গণ জোয়ার। বিশ্বের সব প্রান্তে এখন যে উপদেশ শোনা যাচ্ছে, বিকাম ইউর ওন বস বাই ওয়ার্কিং এস ফ্রিল্যান্সার। মানে,ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেই হোন নিজের বস।

স্মার্ট জীবন উপভোগ করার স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন। যা আছে তা দিয়েই চলতে থাকুন।ধৈর্য্য ধরে শিখতে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং। দেখবেন আপনার আর্থিক উন্নতি আসবেই। আপনি উপভোগ করতে পারবেন উন্নত জীবনের সুবিধা। ফিন্যানসিয়াল স্ট্যাটাস পরিবর্তন হলে সোশ্যাল স্টাটাসও পরিবর্তিত হয়ে যাবে।

নিজেকে উদ্যেক্তা বানান, চাকুরীজীবী নয়

ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির কারণে ইন্টারনেট ইনকাম বা অনলাইন আয়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। সরকারি হিসেবে দেখা যায়,দেশের কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থী, তরুণ যুবক অনলাইনে আয় করছেন প্রতি মাসে মিলিয়ন ডলার।
প্রতি ২৪ ঘন্টায় পাঁচ ঘণ্টা মানুষ স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় অপচয় করেন।এই সময়টাকে যাদের অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন তারা ফোনের মাধ্যমে নানা উপায়ে অনলাইনে আয়(Internet income) করতে পারেন।

বিশ্বের ছোট বড় অনেক কোম্পানী প্রতিদিন নানাভাবে আউটসোর্সিং কাজে ফ্রিল্যান্সারদের ব্যবহার করছেন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্টিত করতে চান তাহলে আপনাকে সাধুবাদ জানাই।স্বাগতম আপনাকে।চাকরীজীবী নয়, চাকরি দাতা বা উদ্যেক্তাকে আমি সবসময় উৎসাহ দিয়ে থাকি।কারণ একজন উদ্যেক্তা মানে স্ব কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আরো অনেকজনকে চাকরি দেয়ার ক্ষমতা রাখেন।

আপনি কি ৫০উর্ধ্ব , ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ছাড়াই আয় করতে চান?

এই বয়সে এসে সংসারের খরচ মোকাবেলায় ভাবছেন, অতিরিক্ত আয় করা খুব জরুরি।অবসরকালীন সময়ে নিজের ও পরিবারের খরচ মেটানোর দু:সহভাবনা আপনাকে ভেতর থেকে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহ জম্ম দিচ্ছে।

কিন্ত ২২-৩৫বছরের একজন তরুণ-যুবক যেভাবে নিজেকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে, সেটি আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ বয়স, মানসিক টেনশান,চোখ ও স্বাস্থ্য এবং মন নতুন করে কিছু শেখার জন্য আপনাকে সাপোর্ট করবে না। সে সাথে ধৈর্য্যও কুলাবে না। তাই বলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং একেবারে করতে পারবেন না তাও আবার নয়। আপনারও রয়েছে সুপ্ত প্রতিভা, লেখার দ্ক্ষতা ও অভিজ্ঞতা।
আপনার জন্য সবচেয়ে সুবিধা হবে ব্লগিং বা ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট লেখা। সে সাথে আপনি এডিটিং,রিরাইটিং,কপি রাইটারের কাজও করতে পারেন।
একটা ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে আপনি আপনার প্রতিদিন বা সপ্তাহে ২/৩টি পোস্ট( আর্টিকেল) দিয়ে যান। আর অনলাইনে আয় এ সফল কনটেন্ট বিষয়ক ব্লগ বা ওয়েবসাইটগুলো অনুসরণ করতে থাকুন।

ওয়েবসাইট / ব্লগ বানাতে কি কি দরকার হয়

একটি ওয়েবসাইট বানাতে প্রথমে দরকার হবে ডোমেইন,হোস্টিং,এসইও রেসপন্সসিভ থিম ও এসএসএল ক্রয় করুন। খুব স্বল্পমূল্যে(৩/৪হাজার টাকার মধ্যে) এটি ক্রয় করুন/ বানিয়ে নিন।মনে রাখবেন ডোমেইন নাম পছন্দ করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৫০বছর বয়সে একটি কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, সে কারণে কোন কিছুই ফ্রিতে করতে যাবেন না। সময় নষ্ট করে লাভ নেই।
খুব কম সময়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে জনপ্রিয় করতে তুলতে পারলে আপনি ঘুমে থাকলেও এটি ইনকাম দেবে। মাসে ৩০-৪০হাজার টাকাও আয় করতে পারবেন।

(ফ্রিল্যান্সিং,আউটসোর্সিং,অনলাইন ইনকাম). তাহলে এই আর্টিকেলগুলো আপনার জন্যই….

০১. ব্লগ / ওয়েবসাইট বানিয়ে অনলাইনে ইনকাম করবেন যেভাবে

০২. অনলাইনে আয় করতে যেভাবে আর্টিকেল/কন্টেন্ট লিখবেন

 

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাইলে
ফ্রিল্যান্সার হতে হলে কি করতে হবে

ফ্রিল্যান্সিং কে যদি আপনি যদি আপনি ফুল টাইম পেশা হিসেবে নেন,তাহলে আপনা ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হবে, শিখার প্রচণ্ড আগ্রহ ও কাজ জানাকে কাজে দক্ষ হিসেবে চরম ধৈর্য্য ধরে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।২সপ্তাহের প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্সার হবার স্বপ্ন না দেখাই ভাল। এটি ছেড়া কাথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতনই হবে।দিন দিন ফ্রিল্যান্সিং জব মার্কেট বড় হচ্ছে , সে সাথে বাড়ছে প্রতিযোগিতা।

ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেই হোন নিজের বস।এ জন্য সবকিছুর আগে প্রয়োজন নিজেকে পরিবর্তনের ইচ্ছায় সংকল্প বদ্ধ হওয়া এবং জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে।

আপনি যদি নিজেকে ঠিকমত প্রস্তুত করতে পারেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে ইনকাম শুরু করতে মানে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেই নিজের বস হতে

নিচের ১৩টি পদক্ষেপ অনুসরণ করতে পারেন:

০১/ক. প্রথমে দেখুন আপনি কি কাজ জানেন,কি কি বিষয়ে আপনার দক্ষতা রয়েছে।খুব ভাল কাজ কি কি করতে পারেন।কি কি কাজে স্বল্প প্রশিক্ষণ পেলে দ্রুত ভাল করতে পারবেন।

০১/খ. অনিশ্চিত অনলাইন ইনকাম এর পেছনে ছুটতে গিয়ে নিশ্চিত ছেড়ে দেবেন না।
ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। তবে সাধারণত যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করবেনই দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন তবে আপনি একদিন সফল হবেন। যদি আপনার মধ্যে শৃংখলা,সময়জ্ঞান, সিডিউল মেনে চলা এবং নির্ভরযোগ্যতা থাকে তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেই নিজের বস হতে পারবেন।তবে মনে রাখবেন আপনি ছুটি কাটাতে পারবেন ইচ্ছেমত, কিন্ত সে সময় কোন আয় হবে না। যদি না কাজ করেন।

যদি ফ্রিল্যান্সার হতে চান প্রতিদিন রুটিন মাফিক অর্ডার নেয়া(হাতে থাকা) কাজগুলো নিয়মিত করে যেতে হবে,সেই সাথে নতুন নতুন কাজের সন্ধানে খোঁজও রাখতে হবে।

আপনি যদি বর্তমানে কোন কোম্পানীতে ফুল টাইম কাজ করেন, ফ্রিল্যান্সিং শেখা, দক্ষতা অর্জন এবং আয় প্রাপ্তি শুরু না হওয়া পর্যন্ত চাকরি ছেড়ে দেয়া মোটেই উচিত হবে না।

০২. কোন বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট ১/২টি কাজ ফিক্সড করুন।

০৩/ক. আপনার কাজের দক্ষতা রয়েছে এমন কাজের চাহিদা কোন প্লাটফর্মে বেশি তা যাচাই বাছাই করুন।যেখানে আপনি সফল হতে পারবেন বলে মনে করেন, সেখানেই কাজ শুরু করে দিন।
০৩/খ.ফ্রিল্যান্সিং জব সাইটগুলো অনলাইন আয়ে খুব জনপ্রিয় হওয়ায় নতুন পুরাতন সব ফ্রিল্যান্সারা সেখানে ভিড় করেন।সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল লিংকইদিনও কাজ পাবার একটি বড় ক্ষেত্র।

০৪. বুঝতে চেষ্টা করুন, চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিন মার্কেটপ্লেস হতে কাজ বাগিয়ে নিতে কোন পথ অবলম্বন করবেন।

০৫. যে মার্কেটপ্লেস নিয়ে কাজ করবেন, তার আগাগোড়া নিয়মনীতি পড়ে, বুঝে নিন। কিভাবে কাজ পেতে হয় তার খুটিনাটি জানুন।

০৬. জানুন কিভাবে কাজের অফার গ্রহণ করবেন, জব বিট করবেন।প্রতিটি কাজের জন্য ছোট ছোট চুক্তি করতে হয় কাজদাতা ও ফ্রিল্যান্সারদের।

০৭.কাজ শেষে কিভাবে টাকা আয় হবে,মোট আয়ের কতটাকা আপনি, কতটাকা মার্কেটপ্লেস কমিশন হিসেবে কাটবে।কিভাবে আপনার অনলাইনে আয় নিজ ব্যাংকে বা কার্ডে নিয়ে আসবেন।

০৮. মার্কেটপ্লেসে/ ফ্রিল্যান্সিং জব সাইটে প্রোফাইল তৈরি করুন
.
০৯. পোর্টফোলিও তৈরি করুন.

১০. আপনার কাজের মূল্য ঠিক করুন।ঘন্টায় কত টাকায় কাজ করবেন সেটা নির্ধারিত করে নিন। প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজের মূল্য আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে।
আপনার অভিজ্ঞতা যদি ২ বছরের হয়, সে ক্ষেত্রে ১০বছরের অভিজ্ঞদের চেয়ে আপনার কাজের রেট কম হবে।

১১.ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত কি কি ভুল করে থাকে এবং আপনি সেগুলো কিভাবে পরিহার করবেন।

১২.কাজ সন্ধান করুন। জেনে নিন যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন বলে মনস্থির করেছেন, সে মার্কেটপ্লেসটির সুবিধা ও অসুবিধা। পড়ে দেখুন তাদের ব্লগ পোস্টগুলো।

১৩. মার্কেটপ্লেসে কাজ করে এমন ফ্রিল্যান্সারদের কোন গ্রুপ থাকলে সেখানে যুক্ত হোন বা তাদের আলোচনাগুলো দেখুন। হয়তো সেখানে পেয়ে যাবেন অজানা অনেক সুবিধা বা অসুবিধার কথা।

ফ্রিল্যান্সিং করে ‘নিজেই নিজের বস হোন’

ধারণাটি খুবই আকর্ষনীয় তবে ভীতিজনক।কিন্ত কাজটা অত সহজ না।নিজেকে মার্কেটিং,কাজ করার যোগ্যতা ও কাজ বুঝিয়ে দেবার মত সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।সময়মতো মানসম্পন্ন কাজ সরবরাহ করার জন্য আপনি দায়বদ্ধ।অনলাইন ফ্রিল্যান্স ওয়েবসাইট এবং মার্কেটপ্লেসগুলিতে কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন হচ্ছে দিন দিন। আমরা যে কোনও জায়গা থেকে কাজ করতে পারি, আমরা কতটা কাজ করতে চাই এবং কোন সময়ে আমরা কাজ করতে চাই তা পছন্দ করতে পারি। একজন ফ্রিল্যান্সারকে অফিসে যাবার জন্য প্রস্তুত হতে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা বা পরিবারের সাথে দীর্ঘ ছুটিতে বেড়াতে যাবার জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই।কারণ এখানে কারো কাছে ছুটি নেবার যন্ত্রণা বা দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবার বিষয় নেই।ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলুন আর হয়ে যান নিজেই নিজের বস।
বিগত ৮-১০ বছরে ফ্রিল্যান্স সংস্কৃতি বিখ্যাত হওয়ার সাথে সাথে শত শত ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে যা ফ্রিল্যান্স কর্মী এবং আউটসোর্সারদের দুর্দান্ত পরিষেবা প্রদান করছে।

গাইড লাইন তৈরি করুন :

আপনার নিজের জন্য একটি গাইড লাইন তৈরি করুন। সে হিসেবে প্রতিদিন কাজ করবেন। হ্যাঁ—ফ্রিল্যান্সিং কিন্ত একদিনে শেখার বিষয় নয়।  দিন দিন পড়তে হবে। জানতে হবে। বিশ্বের সেরা ফ্রিল্যান্সারা কি লিখছেন সেটা ফলো করতে হবে। আপনাকে শাখা তৈরি করতে হবে, অতীতের কাজের একটি দুর্দান্ত পোর্টফোলিও স্থাপন করতে হবে এবং এমনকি আপনার দক্ষতা প্রমাণে পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে।

ফ্রিল্যান্স ওয়েবসাইট কি

ফ্রিল্যান্স ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্ম, উভয়ই কাজের সন্ধানকারী ব্যক্তি এবং নিয়োগকর্তারা তাদের অফার পোস্ট করে।ফ্রিল্যান্সার হওয়া মানে আপনার প্রতিভা বা শখকে অনলাইনে আয়ের উপায় হিসেবে গড়ে তোলা। আপনি যে কাজগুলো জানেন, দক্ষতার সাথে করেন বা আপনি যে কাজে অভিজ্ঞ কেবলমাত্র সেই কাজগুলোর জন্যই আবেদন করার স্বাধীনতা রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং পেশায়।
বলা বাহুল্য, এই ওয়েবসাইটগুলি ব্যবহার করা আপনাকে আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ারের জন্য একটি শক্তিশালী সূচনা করতে সহায়তা করবে। তারা আপনাকে প্রথম ক্লায়েন্টগুলি সহজেই খুঁজে পেতে এবং পরে নিয়োগকর্তাদের আস্থার উপার্জনে সহায়তা করবে।

এছাড়াও, আপনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন নিয়োগকর্তার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে আপনার দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেন। শেষ অবধি, আপনার পোর্টফোলিও বাড়বে এবং আরও অনেক কাজের অফার থাকবে।দিন দিন কাজের পরিমাণ বাড়তে থাকবে সেই সাথে অনলাইনে ইনকামও।
আউটসোর্সিংওয়ে কিছু গবেষণা করে এবং নিম্নলিখিত ১৩ টি সেরা ফ্রিল্যান্স ওয়েবসাইটগুলি পেয়েছে যা সত্যই বিশ্বের ফ্রিল্যান্স ল্যান্ডস্কেপ পরিবর্তন করছে এবং ইতিমধ্যে নিজেকে ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিংয়ের মেগা উৎস হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আপওয়ার্ক-মার্কেটপ্লেস

০১. Upwork

একজন কাজদাতা যে মেধাবী ও যোগ্য ব্যক্তিকে কাজের জন্য খুঁজছেন তিনি আপওয়ার্কে পেয়ে যান পছন্দের যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে।
অপরদিকে একজন ফ্রিল্যান্সার নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে কাজ সম্পাদন করে অনলাইনে ইনকাম করার দারুন সুযোগ রয়েছে আপওয়ার্কে।

আপওয়ার্ক হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আউটসোর্সিং ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস বা জব মার্কেট।জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক মূলত যে কাজটি করে তাহল ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে সেতু বন্ধন রচনা করা। কাজ দেয়া , কাজ নেয়া, কাজ সম্পাদন ও কাজের পারিশ্রমিক অনলাইনে আয় পাওয়া সবকিছু আপওয়ার্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ দুই উপায়ে একাউন্ট পরিচালনা করা যায়। এছাড়াও তাদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেকটাই অনেক বেশি নিরাপদ।

আরো পড়ুন : আপওয়ার্কে বেশি কাজ পেতে প্রোফাইল বানানোর সেরা টিপস

আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ দুই মাধ্যমেই একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট ও জব অ্যাপ্লাই/মেসেজিং করা যায়। এছাড়াও তাদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেকটাই নিরাপদ। আপওয়ার্কে ফিক্সড প্রাইস এবং ঘন্টা হিসেবে (আওয়ারলি) পারিশ্রমিকে কাজ পাওয়া যায়।
প্রযুক্তিগত পরিবর্তন দিন দিন বাড়ছে। ব্যবসা খাতে বেশি চাহিদা রয়েছে সে সব বিষয়ে ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতাগুলো অর্জন করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে নিচের কাজগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, এ সবের আয়ও বেশি।
০১. লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সলিউশন (এলএমএস) কনসাল্টিং
০২ ওঅথ
০৩. এমপ্লয়ি ট্রেইনিং
০৪. জেনেটিক অ্যালগরিদম
০৫. থ্রিডি স্ক্যানিং
০৬. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং
০৭. হ্যাডুপ
০৮. অটোডেস্ক রেভিট
০৯. ভুজেএস ফ্রেমওয়ার্ক

১০. ড্রপবক্স এপিআই

১১. মাইক্রোবায়োলজি
১২. অ্যাপ ইউজাবিলিটি অ্যানালাইসিস

১৩. কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইস্টিক

১৪. সার্টিফায়েড ইনফরমেশন সিস্টেমস সিকিউরিটি প্রফেশনাল (সিআইএসএসপি)

১৫. ভুজেএস ফ্রেমওয়ার্ক

আপওয়ার্ক এর এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি  বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বিগ ডেটা সলিউশন তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়ছে। সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতার তালিকার শীর্ষে থাকা হ্যাডুপ হচ্ছে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার, যা বিগ ডেটা অ্যাপ্লিকেশন বিশ্লেষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। আপওয়ার্কে পাঁচ হাজারের বেশি দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হ্যাডুপ বিষয়ে অভিজ্ঞ। এ খাতের ক্লাউডেরা ও হর্টনওয়ার্কের মতো দুটি বড় প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ শুরু করেছে এবং ডেটাব্রিক ও কনফ্লুয়েন্টের মতো ওপেন সোর্স সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের মূলধন বাড়িয়েছে। মূল্যবান ডেটা বা তথ্য থেকে লাভজনক ব্যবসা দাঁড় করাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই হ্যাডুপে যাঁরা দক্ষ, তাঁদের চাহিদা বেড়েই চলেছে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগামী পাঁচ বছরে হ্যাডুপের বাজার বছরের হিসাবে গড়ে ২৯ শতাংশের বেশি বাড়বে। ২০২৩ সাল নাগাদ বাজার দাঁড়বে ৩ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের।

Toptal(টপটাল ডটকম)

০২. Toptal – Hire Freelance Talent from the Top 3%
টপটাল হলো একটি বিশেষ ফ্রিল্যান্স নেটওয়ার্ক যেখানে বিশ্বের সেরা ফ্রিল্যান্সারদের শতকরা তিনভাগ কাজ করেন।
এটি ওয়েবে খুঁজে পাওয়া সর্বাধিক প্রিমিয়াম ফ্রিল্যান্সার নেটওয়ার্ক বলা যায়। এখানে যোগ দেয়া ফ্রিল্যান্সাররা অত্যন্ত মেধাবী এবং সাধারণত অন্যান্য সাইটের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন তারা।
বড় বড় কোম্পানীগুলো টপটাল থেকে সফটওয়্যার ডেভেলপার,ডিজাইনার,ফিনান্স এক্সপার্ট, প্রডাক্ট ম্যানেজার, প্রজেক্ট ম্যানেজার হায়ার করে থাকেন।টপটাল এর ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে বেশিরভাগ আমেরিকা এবং ইউরোপে অবস্থান করে।

আপনি যদি আপনার স্টার্টআপ বা অন্য কোনও উচ্চমানের প্রকল্পের জন্য একটি উচ্চ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার খুঁজেন তবে আমি দৃঢ়ভাবে আপনাকে Toptal থেকে আপনার Freelancer নিয়োগের পরামর্শ দিব।

০৩. ফ্রিল্যান্সার ডটকম (Freelancer.com)

অন্যতম জনপ্রিয় এই মার্কেটপ্লেস বা ফ্রিল্যান্সার জব সাইট। যারা নতুন, আগ্রহীরা এখানেও ঢু মারেন।ওয়েব ডিজাইনার, কপিরাইটার বা ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামারার, এসই ও, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, পিডিএফ টু টেক্স, কপি পেস্ট সব সাধারণ কাজ যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে ফ্রিল্যান্সার ডটকম (Freelancer.com) এ।

০৪. ফিভার (Fiverr.com)

ফিভার ছোট কাজের জন্য একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে ফাইভার অনেকটা আলাদা এবং যথেষ্ট সহায়ক মনে হয়।

Upwork, টপটাল, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং জব সাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি, প্রোফাইল ও পোর্টফোলিও সাজানো সময়স্বাপেক্ষ ব্যাপার। সেক্ষেত্রে ফিভারে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে মোটামুটি কিছু বেসিক তথ্য দিয়ে করে নিয়েই কাজ শুরু করা যায়।

প্রায় সকল ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসেই ক্লায়েন্টরা তাদের নিজেদের কাজের প্রয়োজনীয় সার্ভিসটি প্রজেক্ট আকারে পোস্ট করে থাকেন এবং তাতে কয়েক হাজার ফ্রিল্যান্সার আবেদন করেন।এখানে তীব্র প্রতিযোগিতা হয় কাজ পেতে।

কিন্ত ফিভার-এর ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা দক্ষতাকে নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করে ছোট ছোট গিগ আকারে ক্লায়েন্টের নিকট উপস্থাপন করেন এবং ক্লায়েন্ট তার প্রয়োজনীয় গিগটি অর্ডার দিয়ে থাকেন।

ফিভারে – গ্রাফিক্স, সোশ্যাল মিডিয়া ডিজিটাল মার্কেটিং,মিউজিক এন্ড অডিও, রাইটিং এন্ড ট্র্যান্সল্যাশন, ভিডিও এন্ড এনিম্যাশন, প্রোগ্রামিং এন্ড টেকনোলোজি, এডভার্টাইজিংএর প্রচুর কাজ রয়েছে। আবার এসব ক্যাটাগরির অধীনে হাজারো রকমের সাব ক্যাটাগরির কাজও মেলে ফাইভারে।

০৫. গুরু (guru.com)

গুরু ডটকম একটি ভারতীয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেখানে অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের মতন বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়। এ সাইটটি ভারতে জনপ্রিয় হলেও সারা বিশ্বের ফ্রিল্যান্সাররা সেখানে কাজ করে অনলাইনে আয় থাকেন। বিশ্বের ৮লাখের বেশি ফ্রিল্যান্সার এখানে কাজ করছেন। এই মার্কেটপ্লেস ইতোমধ্যে আড়াইশো মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফ্রিল্যান্সারদের পেমেন্ট দিয়েছে।

এই ভারতীয় জব সাইটে প্রোগ্রামিং ও ডেভেলপমেন্ট,রাইটিং এন্ড ট্রান্সস্লেশন, ডিজাইন,আর্ট, প্রশাসন,সেক্রেটেরিয়াল, মার্কেটিং ব্যবসা,ফিন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং,এগ্রিকালচারাল এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং বিষয়ক কয়েক হাজার রকমের জব রয়েছে।

০৬. PeoplePerHour

পিপল পারআওয়ার (Peopleperhour.com) হল আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এখানে ফ্রিল্যান্সাররা সার্ভিস সেল, জবে বিড করতে পারেন। তবে বিডিং সিস্টেম থেকে সার্ভিস সেল করাটাই এখানে বেশি জনপ্রিয়।

পিপল পারআওয়ার নামক এই মার্কেটপ্লেসে আপনি প্রায় সব ক্যাটাগরির কাজই পাবেন। যেমন – ডিজাইন, ওয়েব ডেভলাপমেন্ট, রাইটিং এন্ড ট্রান্সলেশন, সেলস এন্ড মার্কেটিং, ভিডিও ফটো ওডিও, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।কোন একটি কাজে আপনার দক্ষতা থাকলেই জয়েন করে কাজের চেষ্টা করতে পারেন।

০৭. https://weworkremotely.com/

উই ওয়ার্ক রিমোটলি হচ্ছে দূরদুরান্তের কাজের একটি বড় কমিউনিটি। এখানে প্রতিমাসে ২৫লাখের বেশি ফ্রিল্যান্সার কাজের জন্য ঢ়ু-মারেন। অবিশ্বাস্য রকমের ছোট ছোট কাজ পেতে উই ওয়ার্ক রিমোটলি অনেক জনপ্রিয়।

ডিজাইনের কাজগুলো সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এখানে লোগো, ব্যবসায়িক কার্ড, ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, ইনফোগ্রাফিক, পণ্য প্যাকেজ, বই এবং পত্রিকা কভার ইত্যাদি টাইপের বহু কাজ রয়েছে

০৮. নাইন্টিনাইন ডিজাইনস (99designs.com)

বর্তমানে ডিজাইনের জন্য সবচেয়ে আলোচিত ফ্রিল্যান্সিং সাইট হচ্ছে নাইন্টিনাইন ডিজাইনস। এখানে ডিজাইনের কাজগুলো সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এখানে লোগো, ব্যবসায়িক কার্ড, ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, ইনফোগ্রাফিক, পণ্য প্যাকেজ, বই এবং পত্রিকা কভার ইত্যাদি টাইপের বহু কাজ রয়েছে।নতুন নতুন ফ্রিল্যান্সরা খুব সহজে এখানে যোগ দিয়ে ছোট ছোট অনলাইনে আয় দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং পেশা শুরু করেন।

০৯. ডিজাইন ক্রাউড (DesignCrowd.com)

ডিজাইন ক্রাউড একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন মার্কেট প্লেস। অনেকটা নাইন্টিনাইন ডিজাইনস এর মত। ক্রিয়েটিভ কাজে দক্ষ ফ্রিল্যান্সারগন স্যাম্পল প্রদর্শন করে সহজেই কাজের অর্ডার নেন।

১০. দ্য শেলফ (https://www.theshelf.com)

এটি এমন একটি সাইট যেখানে ব্লগার এবং ফ্রিল্যান্স লেখক ফ্যাশন, লাইফস্টাইল, খাদ্য এবং ভ্রমণ সংযুক্ত হয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করে।

১১. ওয়েআপ (https://www.wayup.com)

ছাত্রদের ইনকাম এর উপযুক্ত মার্কেটপ্লেস ওয়েআপ। এ মার্কেটপ্লেস যারা পার্টটাইম জব খুঁজছে তাদের জন্য খুবই সাহায্যকারী। এখানে নিজেদের কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে এবং অনলাইনে টাকা আয় করতে পারে।বলা যায় ছাত্র বান্ধব মার্কেট প্লেস এটি।

১২. স্টুডিও ইভ্যান্টু (https://studio.envato.com)

এ সাইটটি খুব নামকরা একটি ফ্রিল্যান্সিং জব সাইট, যেখানে ফ্রিল্যান্সরা নিজেদের তৈরি ডিজাইনগুলো সহজে বিক্রি করতে পারেন।

https://www.behance.net/live?tracking_source=nav20

১৩.বিহ্যান্স (https://www.behance.net/joblist)

মার্কেটপ্লেসটি যারা ইউনিক আইডিয়া নিয়ে কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ তাদের জন্য। যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও মাল্টিমিডিয়া নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের জন্য ভালো জব সাইট।সেরা সেরা ডিজাইনারদের সমাবেশ এখানে

ক্লায়েন্ট বা কাজদাতার কাছ থেকে টেস্টিমোনিয়াল চেয়ে নিন:

সুন্দরভাবে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে এবং পেমেন্ট রিলিজ করার আগেই ক্লায়েন্ট বা কাজদাতাকে টেস্টিমোনিয়াল দেয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ করুন। যা আপনার ভবিষ্যত কাজের জন্য খুবই জরুরি। বর্তমান ক্লায়েন্ট বা কাজদাতার প্রশংসা আগামীর কাজদাতাকে অনুপ্রাণিত করবে। বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়াবে। টেস্টিমোনিয়াল আপনার পোর্টফোলিওকে সমৃদ্ধ করবে।

নিজেকে ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্টিত করা :

হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন।মনে রাখবেন আপনার ব্রান্ড আপনার পরিচিতি। আপনার পোর্টফোলিওতে এটা ফোকাস করতে হবে।যাতে আপনার ক্লায়েন্টরা আশ্বস্ত যে, কার সাথে কাজ করছেন।
সেই সাথে আপনার ব্লগ,ওয়েবসাইট,সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল সমূহে আপনার সফল কাজের প্রজেক্টগুলো তুলে ধরতে হবে। যখন কোন ক্লায়েন্টকে মেইল পাঠাবেন তখন লিংক দিন আপনার সাইটের, LinkedIn profile এবং প্রজেক্ট নমুনার।

ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে অনলাইনে ইনকাম করতে পড়ুন..ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার, কিভাবে শিখবো, পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

 

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং :

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিসয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার যথার্থই বলেছেন,ফ্রিল্যান্সিং একটি ব্যাপক সম্ভাবনাময় খাত। যদি এটাকে ঠিকমত পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়,
, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ভালো অবস্থানে গিয়ে দাড়াবে। শক্ত ভিত্তির ওপর দেশ চলবে।

আমাদের মধ্যে একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে, ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে তেমন কিছু জানার দরকার নেই। ৭ দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেই ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে,অনলাইনে ইনকাম হবে। ঝড় ঝড় করে টাকা আসতে শুরু করবে। এটা আমাদের একটি বড় সমস্যা।

ডিজিটাল আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়ে উঠছে এখন বাংলাদেশ। বৈশ্বিক এ খাতে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন, যাদের মাধ্যমে প্রতিবছর দেশে ১০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসছে মন্ত্রী জানান। যা স্থানীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকা ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.