বেস্ট কন্টেন্ট লেখার নিয়ম

0

বলা হয়ে থাকে কন্টেন্ট ইজ কিং। কন্টেন্ট ছাড়া কোন সাইট বা ওয়েব পেইজের কোন মূল্য নেই। আর সেরা কন্টেন্ট মানে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। লাখ লাখ ভিজিটরস।যে সাইটের বিজ্ঞাপন বেশি সেই সাইটের অনলাইন ইনকামও বেশি হয়ে থাকে।

সেরামানের কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য গুগল ও অ্যালেক্সার পরামর্শ অনুসরণ করুন, আর স্বল্প সময়ে হয়ে উঠুন বেস্ট কন্টেন্ট রাইটার। অনলাইন ইনকাম আপনার কাছে আপনি আপনি ধরা দেবে। রাতারাতি কোটিপতি হবার স্বপ্ন না দেখে বেস্ট কন্টেন্ট লেখার নিয়ম/কৌশল/গাইড ফলো করেন।

গুগলের সহযোগি বিজ্ঞাপন দাতা সংস্থা এডসেন্স এর দুর্দান্ত  কন্টেন্ট লেখার তিন পরামর্শ:

এ সব পরামর্শ অনুসরণ করলে আপনার ওয়েবসাইট অসামান্য জনপ্রিয়তা পেতে পারে।

একটি উঁচু কন্টেন্ট মার্কেটিং আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কেবল নতুন ভিজিটর আনে না, বরং পুরানো ভিজিটররাও ফিরে আসে। একটি কন্টেন্ট এর কৌশল কী হতে পারে।

 

১. উচ্চ সম্ভাবনাযুক্ত ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করুন

একটি ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট লিখতে বসার আগেই আপনার ভেবে নেয়া উচিত, যে নিস নিয়ে আপনি কাজ করবেন সেটি নিয়ে লোকজন কেমন খরচ করেন, কেমন আচরণ করেন এবং সেটি নিয়ে আপনার লক্ষ কি, শেষ অবিধি কি করতে চান। নিসটি নিয়ে কোন এলাকায় সর্বাধিক সম্ভাব্য অফার রয়েছে তা খুঁজে বের করুন। যেমন: তাৎক্ষণিক নিস কন্টেন্ট আইডিয়াগুলো হবে সেই রকম, নিসের সম্পর্কে অনেক মানুষের আগ্রহ থাকবে,জিজ্ঞাসা থাকবে আবার এ বিষয়ের ওয়েবসাইটের সংখ্যা হবে খুব কম। এই সাইট গুলির শ্রেণী মূল্য সম হওয়ায় আপনার নিসটির বিষয় বস্তুকে একটু আলাদা করে দাড়াবার সুযোগ করে দেয়।

গুগল ট্রেন্ডস

গুগল ট্রেন্ডস

গুগল ট্রেন্ডস দেখায় যে, বিশ্বের মানুষ ইন্টারনেটে কী খুঁজছে। এটি অঞ্চল, দেশ, মহাদেশ এবং ভাষা ভিত্তিক ফলাফল দেখায় ট্রেন্ডস। তাছাড়া গুগল অনুসন্ধানে(সার্চে) সবচেয়ে বেশি কোনটি লোকে খুঁজেছে অনুসন্ধান(ফল), অনুসন্ধানগুলোর জনপ্রিয়তার বিশ্লেষণ করে এবং সময়ের সাথে সাথে কোনও প্রশ্নের অনুসন্ধানের পরিমাণের তুলনা করার জন্য গ্রাফগুলো উপস্থাপন করে।

একটি বিষয়ে লিখতে বা নিস বিষয়ে গবেষণা করতে ট্রেন্ডিং অনুসন্ধানগুলো খুব জরুরি, বা সম্পর্কিত বিষয় এবং জিজ্ঞাসাগুলো বের করতে কোন অনুসন্ধান শব্দ, টপিক বেশ সহায়ক।

 

ধরুন, আপনি যদি অনলাইনে আয় নিয়ে লিখতে চান,  এ আপনি লিখতে পারেন টপিক হিসেবে অনলাইনে আয়,তুলনা করতে পারেন- কিভাবে, করতে, ইত্যাদি। দেখা যাবে ঢাকা,রাজশাহীতে অনলাইনে আয় নিয়ে মানুষের কোন সার্চ নেই। খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে কিছু আছে। কি বাক্য লিখে লোকজন খুঁজে সেটিও এখানে প্রদর্শন করা হয়। এ সব কিছু একটি কন্টেন্ট লেখার জন্য যাচাই বাছাই করতে হয়।

 

গুগলে মানুষ যা খুশি তা লিখে জানতে চায়। যখন যার যেটা জানার প্রয়োজন পড়ে। আর দুনিয়ার মানুষ কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লেখে নানা বিষয়ের ওপর। মানুষের সার্চটি কারো কারো না কারো চাওয়ার সাথে মিলে যায়। গুগল সার্চ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এ সব খুঁজে হাজার হাজার ফলাফল সার্চকারীর সামনে হাজির করে। তাইতো আমরা দেখতে পাই।

গুগল প্রশ্ন হাব

 

কিন্ত গুগল প্রশ্ন হাব( Google Question Hub) যে সব বিষয় সম্পর্কে মানুষ সার্চ করে খুজে পায় না সেগুলো সংরক্ষণ করে থাকে। আবার যখন নতুন করে কেউ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্চ বা খোঁজ করেন তার সার্চের ফলাফলের সাথে গুগল প্রশ্ন হাব উত্তর না পাওয়া প্রশ্নটিও উপস্থাপন করে থাকে।

এ উত্তর না দেয়া প্রশ্নগুলো হতে পারে আপনার কন্টেন্ট টপিক। লেখার বিষয়। তবে আপনার ব্লগ সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে লিখে লাভ নেই। এমন অনেক অশ্লীল বিষয়েও অনেকে সার্চ করে। বাংলায় হয়তো এসবের উত্তর মিলবে না।

মার্কেট ফাইন্ডার

মার্কেট ফাইন্ডার আপনার ব্যবসাকে বিশ্বব্যাপী নেওয়ার নতুন সুযোগগুলি উদঘাটিত করে। এটি মাসিক অনুসন্ধানগুলো, জনপ্রিয় বাজারের ট্রেন্ডগুলো, মাথাপিছু ডিসপোজেবল আয় এবং দেশ অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্লেষণ করে যাতে আপনার পণ্য, পরিষেবাগুলি এবং কন্টেন্টগুলো যেখানে সবচেয়ে বেশি আবেদন করবে। আপনার ব্র্যান্ডের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নতুন টার্গেট মার্কেটের একটি শর্টলিস্ট তৈরি করুন এবং সারা বিশ্বের বাংলাভাষাভাষীদের জন্য উপযুক্ত কন্টেন্ট/ লেখা বানান করুন।

নিউজ কনজিউমার ইনসাইটস(এনসিআই)

নিউজ কনজিউমার ইনসাইটস(এনসিআই) ভিজিটরস এর  উৎসগুলো সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যবহারকারীদের ড্রাইভ করে এবং কীভাবে আপনার ভিজিটরদের আরও ভালভাবে যুক্ত করতে পারে সে সম্পর্কে বিশ্লেষণ সরবরাহ করে।

উদাহরণস্বরূপ, এনসিআই যখন দেখায় যে ব্যবহারকারী প্রতি দর্শকের সংখ্যা বেশি তবে ভিজিট প্রতি পৃষ্ঠাগুলি কম, এটি আপনার অভ্যন্তরীণ পুনর্ব্যবহারের চেয়ে ভালতর হতে পারে এমন একটি সংকেত। নিবন্ধগুলির নীচে আপনার সেরা পারফর্মিং সামগ্রীতে লিঙ্কগুলি রাখুন এবং পাঠকদের ক্লিক করতে আমন্ত্রণ জানান।

২. আপনার কন্টেন্ট মার্কের্টিং কে উন্নত করুন

আপনার কন্টেন্ট মার্কের্টিং কে উন্নত করতে হলে,  আপনার যারা পাঠক বা ভিজিটরস এবং তারা আপনার সাইটের কোন কোন লেখাগুলো পড়ছে, কতক্ষণ পড়ছে, কত সময় তারা সাইটে কি কি ঘাটাঘাটি করলো এবং সব শেষে তারা কোন পেজ থেকে আউট হয়ে গেল তা জানতে পারবেন গুগল অ্যানালঅইটিক্স ব্যবহার করে। সেখান থেকে পাঠক কোন লেখা বেশি পছন্দ করে, তাদের আগ্রহ কী কী বিষয়ে, সে সম্পর্কে আইডিয়া নিয়ে আপনি আপনার কন্টেন্ট তৈরির কৌশল ঠিক করতে পারেন। আপনার কোন কন্টেন্ট টি পাঠক পড়েই না, কোন দেশের বা অঞ্চলের মানুষ বেশি ভিজিট করছে , সেম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে সেভাবে কন্টেন্ট বানান। পুরানো কন্টেন্ট রিরাইট বা আপডেট করে নিন। বিনামূল্যে গুগল অ্যানাইটিক্স ব্যবহার করে আপনার সঠিক পাঠক কারা নিম্চিত হয়ে কন্টেন্ট তৈরি করুন। দেখবেন আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং কতদ্রুত এগিয়ে যাবে বলার অপেক্ষা রাখে না। এ সব মেনে কন্টেন্ট তৈরি করলে আপনি প্রতিদিন হাজার হাজার নতুন ভিজিটর পাবেন ,সে সাথে পুরানো ভিজিটররাও ফিরে আসবে আপনার কাছে।

৩. সর্বশেষ পরামর্শ বা টিপস এবং ট্রেন্ডস থেকে শিখুন কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং ও মার্কেটিং করতে হয়।

 

মানুষের ওয়েবের ব্যবহার কীভাবে বিকশিত হচ্ছে এবং অন্যান্য ব্যবসাগুলি কীভাবে সাড়া দিচ্ছে তা সহ আরও বড় চিত্রটি দেখতে ভুলবেন না।

 

গ্রাহক ব্যারোমিটার দেখায় যে কীভাবে, কখন এবং কেন বিশ্বের লোকেরা ওয়েব ব্যবহার করে। অনলাইন গবেষণা এবং সংস্থানগুলির একটি বিকশিত স্টোরহাউস, এতে লোকেরা কীভাবে তাদের ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সে সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি থেকে গ্রাহকদের ডিভাইসের পছন্দগুলিতে দেশ-নির্দিষ্ট ডেটা থেকে শুরু করে সবকিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে অনলাইন ইনকাম এ সফল ব্যক্তিদের সাফল্যের গল্পগুলি অন্যদের অনেক বেশি অনুপ্রেরণা দেয়। নতুনরা সফল ব্যক্তিদের কাছ থেকে ধারণা নিয়ে নিজেদের আর্থিক সংকট ঘোচাতে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে উৎসাহিত হয়। সূত্র :গুগল

ভালমানের কন্টেন্ট রাইটিং দ্রুত শেয়ার হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়

একটি ভাল মানের কন্টেন্ট যত বেশি শেয়ার হবে, ধরে নিতে হবে এটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।সহজ ভাষায় লিখিত হয়েছে।সেখানে কোন সম্ভাবনা, সমস্যা ও সমাধানের পথ আবেগঘনভাবে ফুটে ওঠেছে।তাই পাঠক নিজের ও তার বন্ধুদের জন্য কন্টেন্টটি শেয়ার করেছেন। এখানেই কন্টেন্ট লেখার সার্থকতা।

কন্টেন্ট কি, কন্টেন্ট রাইটিং কি, কন্টেন্ট লেখার নিয়ম, রাইটিং বৈশিষ্ট্য,সেরা মানের কন্টেন্ট লেখার কৌশল নিয়ে  বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন আমাদের অন্য একটি আর্টিকেল লিংক:….

তবে আজ আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো একটি ভালমানের কন্টেন্ট যত বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হবে তত কন্টেন্ট লেখার সার্থকতা প্রকাশ পায়।

কন্টেন্ট যত স্ট্যান্ডার্ড, বড় কিংবা শক্তিশালী হোক না কেন যদি না মানুষ নিজের ও বন্ধুদের জন্য তা সংরক্ষণ বা শেয়ার না করে সিনেমার মত সে কন্টেন্ট ফ্লপ মারবে। কন্টেন্ট লেখাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। বন্ধুরা বুকে হাত দিয়ে বলুনতো , যখন আপনার কোন লেখা বেশি বেশি শেয়ার হয় তখন আপনার কেমন আনন্দ লাগে? পাঠক না পড়লে সে কন্টেন্ট বা লেখাইতো কোন লাভ নেই। শুধু আমি নিজে পড়লে হবে ?  আমি এখানে বাখিজ্যিক উদ্দেশ্য লেখা কন্টেন্ট এর কথাই বলছি।

বেশি বেশি শেয়ারযোগ্য কন্টেন্ট মানে, কন্টেন্ট নিজেই নিজেকে শেয়ার করার পথে অগ্রসর হলো।

 

শেয়ারযোগ্য কন্টেন্ট তৈরির কয়েকটি টিপস:

০১. মানুষ যে সব বিষয় নিয়ে এখন খুব বেশি জানতে আগ্রহী, বন্ধু ও স্বজনদের জানাতে আগ্রহী সেসব শেয়ার যোগ্য বিষয় বা টপিক নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।

শেয়ারযোগ্য যে কোন কন্টেন্ট রাইটংকে বেশি বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগাভাগি করতে আপনি টার্গেট করতে হবে কোন শ্রেণী,কোন অঞ্চল ও কত বয়সের পাঠকদের জন্য আপনি কন্টেন্ট তৈরি করতে যাচ্ছেন। এমন কন্টেন্ট তৈরি করতে পারলে আপনার টপিক, আইডিয়া বা গল্প টার্গেটকৃত ভিজিটরদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার বিকল্প নেই। তাহলে দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে আপনার কন্টেন্ট।

 

আপনি যে টপিক নিয়ে কন্টেন্ট লিখেছেন তা কি শেয়ারযোগ্য ?

যে টপিক নিয়ে কন্টেন্ট লিখেছেন আপনি, সেটির পুরো বডি যথার্থভাবে তৈরি কি না,

মূল অংশটি অধিক আকর্ষণীয় বিষয় না হলে পাঠক শেয়ার করবে না। হৃদয় ও মনের মধ্যে বেশ আলোড়িত করে তেমন সেরামানের কন্টেন্টকে  পাঠক দ্রুত শেয়ার করেন।

কন্টেন্ট বেশি ভাল লাগলে আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের লিংক শেয়ার দিয়ে পাঠক বেশি স্বেচ্ছায়

অনুপ্রাণিত হয়।

­­­

সংবেদনশীল( Emotional) টপিক : পাঠকের হৃদয়ে গেথে যায় এমন কন্টেন্ট বেশি শেয়ার হয়।

পাঠকের সচরাচর পরিচিত টপিক:( Tied to identity) : যে সব টপিক যে কোন সময় ভিজিটরের বা তার স্বজনের জন্য প্রয়োজন হতে পারে সে সব শেয়ার করে রাখতে চান ভিজিটররা।যেমন: করোনায় আক্রান্ত হলে প্রথমে কিভাবে বুঝবেন ও কি কি করতে হবে।

ট্রেন্ডিং বিষয়ক( Trending ): হট টপিকগুলোকে সাধারণত ট্রেন্ডিং বিষয়ক হিসেবে ধরা হয়। দেশে বিদেশে যে টপিক নিয়ে সর্বত্র আলোচনা ও সমালোচনা চলছে সেগুলো প্রায়শ: বেশি শেয়ার হয়।

মূল্যবান( Valuable): উত্তর, সমাধান এবং সহায়ক পরামর্শ সরবরাহ করে এমন টপিক মানুষ খুব সহজে শেয়ার করে থাকেন।

বেশি শেয়ার হয়েছে এমন টপিকসহ  উপরের চারটি টপিক সম্পর্কীয় ধারণা পেতে আপনি

আপনি আলেক্সার কন্টেন্ট এক্সপ্লোরেশন টুলস বিবেচনা করতে পারেন।  আপনার বিষয় বা পছন্দের টপিক ওই টুলসে টাইপ করার মাধ্যমে আপনি দেখতে পারেন কোন কোন কন্টেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শেয়ার হলো। সেখান থেকে আপনি নিজের জন্য পৃথক আইডিয়া টপিক নিতে পারেন যা আগে হয় নি। যেটি শেয়ার হবার সম্ভাবনা অত্যাধিক।

সে সাথে বেশি শেয়ার হওয়ায় পোস্টগুলোর কী ওয়ার্ড গুলো চিহ্নিত করুন,কেমন ছবি,  ইনফোগ্রাফিক্স এবং বিশেষ বৈশিষ্ট্য কিকি রয়েছে তার তালিকা করে নিন। এরপর সার্বিক ফলাফলকে আপনার ভবিষ্যত কন্টেন্ট টপিকের জন্য ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিন।

এখানে আরেকটি বিষয় বলে রাখা প্রয়োজন,কন্টেন্ট  এক্সপ্লোরেশন টুলস আপনাকে সম্পর্কিত

ট্রেন্ডিং বিষয়গুলি এবং সেই সাথে সম্পর্কিত নিবন্ধের সংখ্যার সাথে টুইটার এবং রেডডিতে প্রতিটি বিষয়

কেমন শেয়ার হেয়েছে তা খুঁজে পেতে আপনাকে সহায়তা করবে।

 

কন্টেন্ট শিরোনাম হতে হবে বুলেট হেডিং এবং শেয়ার করার মত

আপনার কষ্ট করে তৈরি করা কন্টেন্ট এর নজড়কাড়া শিরোনাম হলে ব্যস্ততার কারণে পরে পড়ে নেবার ইচ্ছায় তাৎক্ষণিক পোস্টটি শেয়ার করে নেবেন পাঠক বা ভিজিটর।প্রায়শ: পাঠক প্রথমে শেয়ার করে, পরে সময় করে পোস্টগুলো পড়েন।

অনলাইনে শেয়ার করার মতো কন্টেকন্ট  তৈরি করতে একটি শক্তিশালী, মনমুগ্ধ শিরোনাম অপরিহার্য, সুতরাং আপনি শিরোনামে নিচের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করুন যেমন:

 

মানটি দেখান। পাঠক কী লাভ করবেন বা শিখবেন সে সম্পর্কে পরিষ্কার হন।

নির্দিষ্ট করা। বিষয়বস্তুতে কী তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তা বিশদভাবে জানুন।

সম্ভাব্য ফলাফল উপস্থাপন করুন। পড়ার ফলে পাঠক কী পাবেন তা ব্যাখ্যা করুন।

হাইলাইট তালিকা দিন পোস্টের সূচনার পরপরই।

আপনার তালিকায় কয়টি আইটেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তা ভাগ করে পাঠকের মনোযোগ দিন।

দ্বিতীয় ব্যক্তির সাথে কথা বলুন। “আপনি” এবং “আপনার” এর মতো শব্দ ব্যবহার করে পাঠকদের ডাকুন।

কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার টার্গেট পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য সবচেয়ে ভাল কীওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করুন।

কন্টেন্ট এর নিখুঁত শিরোনাম হওয়া চাই

যদিও এই সমস্ত বিষয়বস্তু লেখার টিপস অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন হতে পারে তবে কমপক্ষে দুটি বা তিনটি ধারণাকে আপনার শিরোনামে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন। নিখুঁত শিরোনামটি তৈরিতে সহায়তার জন্য আপনার শিরোনাম CoSchedule এর শিরোনাম বিশ্লেষকটিতে প্রবেশ করুন। টুলসটি আপনার শিরোনামকে রেট করবে এবং এটি উন্নত করার জন্য টিপস সরবরাহ করবে।

ব্যস্ত ফিডস সহ সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এমন শিরোনামগুলি লেখার লক্ষ্য। পাঠককে থামাতে এবং দ্রষ্টব্য রাখার জন্য সংবেদনশীল এবং শক্তির শব্দ অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি কোন সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলে পোস্ট করছেন তা নির্বিশেষে, এই ধরণের শব্দগুলি খুব কার্যকর হতে পারে।

 

আপনি কি “ইউরোপের ৫ অবকাশ দর্শন” বা “মারা যাওয়ার আগে ঘুরে দেখার জন্য ইউরোপের ৫ গোপন অবকাশ স্পট” সম্পর্কে কখনো ভেবেছেন কি?

একনজর পড়বেন? এসব শিরোনাম তাৎক্ষণিকতার অনুভূতি যুক্ত করে এবং ফলস্বরূপ, লোকেদের সেই অংশটি শেয়ার করতে উৎসাহ দেয়।

 

আপনার কন্টেন্ট এর চিত্রগুলি কি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের উপযুক্ত ও নকশাকৃত?

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের জন্য পোস্টে ব্যবহৃত কাস্টম ছবি খুব আকর্ষনীয়,চমৎকার গ্রাফিক যুক্ত থাকলে পোস্টগুলো বেশি বেশি শেয়ার হয়।

ফেসবুক

ইনস্টাগ্রাম

Pinterest

লিঙ্কডইন

টুইটার

ইউটিউব

উপরের সামাজিক মিডিয়াগুলোর যে সব পোস্ট খুব হৃদয়গ্রাহী ও ছবি/ইমেজ খুব উচু মানের হয় সে সব শেয়ার করতে ভিজিটররা দ্বিতীয়বার ভাবেন না।

আপনার পোস্টগুলি সামাজিক সাইটে কেমন হবে তা দেখতে, অ্যাডপার্লার ব্যবহার করে তাদের পরীক্ষা করুন।

 

বিষয়বস্তু শেয়ার করা কি সহজ?

 

এটি সর্বদা এমন কন্টেন্ট নয় যা পাঠকদের শেয়ার করে নিতে উৎসাহ দেয়। কন্টেন্ট অন্যান্য ওয়েবসাইটের সাথে লিংক বিনিময় অন্তত করা সে রকম হতে হবে। প্রকাশের পরপরই যে শেয়ার হতে হবে তেমন কোন কথা নেই। পরে যে কোন সময় পাঠক এটি শেযার করতে পারেন।

আপনার সমস্ত পৃষ্ঠায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার বোতাম যুক্ত রাখুন, যাতে পাঠক সহজে পছন্দের কন্টেন্টগুলো শেয়ার করতে পারেন।

 

আপনি কি আপনার শেয়ারযোগ্য কন্টেন্টটি অপ্টিমাইজ করছেন?

 

আপনার কন্টেন্ট ক্যালেন্ডারের পরিকল্পনা করার সময়, আপনাকে আসন্ন কন্টেন্ট এর প্রতিটি অংশের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যগুলি সোশ্যাল মিডিয়াতে ক্রেশন অর্জন করে বা জৈব অনুসন্ধান থেকে ট্র্যাফিক তৈরির মাধ্যমে ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে পারে।

 

তবে এই লক্ষ্যগুলি পারস্পরিক একচেটিয়া হতে হবে না। সম্ভব হলে এসইও-র জন্য আপনার কন্টেন্টটি অনুকূলিত করুন যাতে নতুন পাঠকরা এটি অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে পারেন এবং তারপরে এটি শেয়ার করে নিতে পারেন।

 

প্রতিটি পৃষ্ঠার পর্যালোচনা করতে এবং তারা আপনার লক্ষ্য কীওয়ার্ডের জন্য অনুকূলিত হয়েছে তা নিশ্চিত করতে আলেক্সার অন-পৃষ্ঠা এসইও পরীক্ষক ব্যবহার করুন। আপনি সাইটের সুরক্ষা, কর্মক্ষমতা এবং অন্যান্য এসইও উপাদানগুলিতে কোথায় উন্নতি করতে পারবেন তা দেখতে আপনার পুরো সাইটের সম্পূর্ণ স্ক্যান চালানোর জন্য আপনি SEO সাইট অডিট টুলসটিও ব্যবহার করতে পারেন।

 

শেয়ারযোগ্য কন্টেন্ট গ্রেড

 

এসইও সাইট অডিট টুলস আপনাকে আপনার সাইটের সামগ্রিক এসইও স্বাস্থ্য বুঝতে সহায়তা করে। উপরের উদাহরণে, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই সাইটের এসইও কিছু কাজ ব্যবহার করতে পারে যখন এর খ্যাতি এখনও দুর্দান্ত।

 

তবে মনে রাখবেন, সর্বদা এবং সর্বাগ্রে বিষয়বস্তুর মানের দিকে ফোকাস হওয়া উচিত। এসইও প্রচেষ্টা উত্সাহিত করতে কীওয়ার্ড স্টাফিং এবং মন্তব্য স্প্যামিংয়ের মতো কালো টুপি এসইও কৌশলগুলি ব্যবহার করা আসলে আপনার অনুসন্ধান ইঞ্জিনের র‌্যাঙ্কিংকে হ্রাস করতে পারে এবং পাঠকরা আপনার সামগ্রী ভাগ না করে বাউন্স করার সম্ভাবনা বেশি পাবে।

শেয়ারযোগ্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন

 

আপনি যদি এই বিষয়বস্তু তৈরির প্রশ্নগুলি সাবধানতার সাথে করেন তবে আপনি নিশ্চিত করতে পারেন যে আপনার সমস্ত সামগ্রী অনুসন্ধান এবং শেয়ার করে নেওয়ার উভয়েরই জন্য ভিত্তি করে। এই সেরা অনুশীলনগুলি মাথায় রেখে আপনি প্রতিবার পোস্ট প্রকাশিত হবার সময় আরও বেশি শেয়ার করে নেওয়া যায় এমন কন্টেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে।

আলেক্সা টুলস

আপনার কন্টেন্টগুলিকে অনুসন্ধান ইঞ্জিনগুলির মাধ্যমে আরও বেশি শেয়ার এবং আরও দৃশ্যমানতা অর্জনে সহায়তা করতে আলেক্সার উন্নত পরিকল্পনার একটি বিনামূল্যে পরীক্ষার জন্য সাইন আপ করতে পারেন। এতে এসইও বিশ্লেষণ, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্লেষণ, সামগ্রী গবেষণা এবং আরও নতুন ভিজিটর দ্বারা আপনাকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করার জন্য আরও কিছু টুলস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অনলাইনে আয় বা অনলাইন ইনকাম করার জন্য জনপ্রিয় সেরা কন্টেন্ট রাইটিং সম্ভব না হলে ব্লগ পোস্ট লিখে কোন লাভ হবে না। কন্টেন্ট রাইটিং খুব সহজ নয়, যথেষ্ট ধৈর্য্য, লেখাপড়া, চর্চা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।কন্টেন্ট লেখার সহজ কোন নিয়ম নেই।গুগল ও অ্যালেক্সার বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে সেরামানের কন্টেন্ট তৈরি এখন অনেক সহজ উপরের আলোচনা হতে আমরা সেটাই বুঝতে পারলাম। বন্ধুরা আজ এ পর্যন্ত।

Leave A Reply

Your email address will not be published.