বাংলাদেশে কিভাবে আমি  ভিসা কার্ড পেতে পারি?

0

ফ্রিল্যান্সাররা কোথায় পাবেন ডুয়েল কারেন্সি ভিসা কার্ড

যারা অনলাইনে কাজ করেন তাদের প্রিপেইড ডুয়েল কারেন্সি ভিসা কার্ড থাকা জরুরি। কেননা প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার,যে কোন কিছু বিদেশি প্রতিষ্টান হতে ক্রয় করতে গেলে  ডুয়েল কারেন্সি ভিসা কার্ড এর বিকল্প নেই। সোজা কথায় ডলারে পেমেন্ট করতে হয়। এমনকি গুগল সেবা ক্রয়,ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য জরুরি এটি।

এ ক্ষেত্রে ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড( ইবিএল) ভিসা লাইফ স্টাইল প্রিপেইড কার্ড হতে পারে খুব নির্ভরশীল একটি প্রিয় কার্ড। EBL Visa Lifestyle Prepaid Card

ইবিএল ভিসা লাইফ স্টাইল প্রিপেইড কার্ড ফ্রিল্যান্সারদের চাহিদা পূরণে সক্ষম।অনেক সুবিধা রয়েছে এতে। আর্থিক নিরাপত্তা দেবে এই কার্ড।

আমি নিজেও ব্যবহার করছি। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ব্যাংকে কোন একাউন্ট না করেই আপনি কার্ড নিতে পারছেন যে কোন শাখা থেকেই। বাংলা টাকা জমা করে সহজেই ডলারে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। একই সাথে বাংলাদেশি টাকা লেনদেনও করতে পারবেন।বুথ খেকেও তুলতে পারবেন। একদম সহজ।

ফিচার :

  • দ্বৈত মুদ্রার ইএমভি প্রিপেইড কার্ড
  • বাংলাদেশি টাকায় দেশের ভেতরে কেনাকাটা করলে পাবেন ডিসকাউন্ট।
  • বিশ্বের যে কোন দেশে বেড়াতে বা ভ্রমণে গেলে এই কার্ড যথেষ্ট। ডলার তুলতে বা ডলারে পেমেন্ট দিতে পারবেন।
  • আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ কেনাকাটা করা যাবে
  • কোন রকম ব্যাংক একাউন্ট ছাড়াই এই কার্ড প্রদান করা হয়।
  • ভিসা লোগোযুক্ত যে কোন এটিএম হতে টাকা বা ডলার তুলতে পারবেন।
  • ইবিএল বুথ হতে কোন রকম চার্জ ছাড়াই টাকা তুলতে পারবেন।
  • দেশে বিদেশে দোকানে বা রেস্টুরেন্টে বিল পেমেন্ট করতে পারবেন
  • অনলাইনেও বিল পেমেন্ট করার সুবিধা রয়েছে।
  • সব সময় কার্ডে টাকা লোড করতে পারবেন।
  • লেনদেন সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক মেসেজ আপনার ফোনে চলে আসবে।

Quick Facts

লাইফস্টাইল কার্ড এর খরচ কত

  • সারা বিশ্বে এই ভিসা কার্ড গ্রহণযোগ্য
  • Currency: BDT & USD
  • মাত্র ৫০০টাকায় কার্ডটি কিনে টানা তিন বছর কোন চার্জ ছাড়াই কার্ডের সুবিধা ভোগ করুন। Validity: 3 years

বাংলাদেশে কিভাবে আমি  ভিসা কার্ড পেতে পারি?

Visa card কিভাবে করব

কার্ড কে পাবেন

  • শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিকগণ যাদের এনআইডি আছে l
  • যাদের বয়স কমপক্ষে ১৮বছর।

আন্তর্জাতিক ভিসা কার্ডটি পেতে হলে যে সমস্ত কাগজপত্র লাগবে :

ভিসা কার্ড করতে কি কি লাগে

  • আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে
  • সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজ ফটো লাগবে
  • আপনার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে
  • আপনার একটি পাসপোর্ট থাকতে হবে। যেখানে ডলার এনডোরসমেন্ট করবেন।
  • বিনা চার্জে প্রথমবার ১০০০/২০০০হাজার এনডোরসমেন্ট করিয়ে নেবেন।
  •  এবার যতখুশি ডলার রাখুন সমস্যা নেই।

*EBL reserves the right to request additional document(s) to ensure due diligence.

ভিসা কার্ড থেকে যেভাবে বিকাশে টাকা নেবেন

ভিসা কার্ড থেকে বিকাশে টাকা আনুন সহজে

আবার EBL Visa Lifestyle Prepaid Card কার্ড থেকে এখন খুব সহজেই কোন ধরনের চার্জ ছাড়াই বিকাশ একাউন্টে টাকা আনা যাবে।

জনপ্রিয় বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা আনতে বিকাশ অ্যাপের অ্যাড মানি অপশন থেকে কার্ড টু বিকাশ এবং ভিসা নির্বাচন করে, EBL ভিসা কার্ডের তথ্য সংযুক্ত করে, টাকার পরিমাণ, ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ও বিকাশ পিন দিয়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এবং তাৎক্ষণিক  টাকা বিকাশ একাউন্টে চলে আসবে। সম্প্রতি ইবিএল এ সুবিধা চালু করেছে।যা দিয়ে মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানি, পেমেন্ট, ইউটিলিটি বিল প্রদান, টিকিট কেনা, বীমার কিস্তি পরিশোধ, মানি ট্রান্সফার ইত্যাদি সহজে করতে পারবেন।

 

ইবিএল ভিসা লাইফ স্টাইল প্রিপেইড কার্ড এর অসুবিধের মধ্যে রয়েছে

০১.ব্যাংকিং আওয়ারে টাকা জমা করতে হবে।

০২.কার্ডে জমা থাকা বাংলাদেশি মুদ্রাকে টেলিফোনের মাধ্যমে( ব্যাংকের কল সেন্টার) ডলারে কনভার্সন করতে হলে ২দিন সময় লাগে। তাই সব সময় বেশি ডলার রাখার চেষ্টা করবেন।

সুবিধা :

ফিচারেতো প্রায় সব সুবিধার কথা জেনেছেন।ডোমেইন ক্রয়,হোস্টিং ক্রয়, সফটওয়ার ক্রয়,টিটোরিয়াল ক্রয়ের বিপরীতে ডলারে পেমেন্ট করতে অসুবিধে হয় না। ফেসবুক,গুগল সহজে এই কার্ড গ্রহণ করে।

ব্যাংক আপনার কার্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৫% ভ্যাট কেটে নেয় যার ফলে সরকার পরবর্তীতে আপনাকে আটকাতে পারবে না।

ভিসা ও মাস্টার্ড কার্ড

ইবিএল ভিসা লাইফ স্টাইল প্রিপেইড কার্ড  বনাম ভার্সুয়াল ভিসা কার্ড

ভার্সুয়াল ভিসা কার্ড জনপ্রিয় তবে খরচ বেশি। ৩০দিন,৩ মাস, একবছরের মেয়াদের কার্ড কিনতে আপনাকে অতিরিক্ত ৫-১০ডলার ব্যয় করতে হবে।

মেয়াদ চলে গেলে শেষ। ডলারও পাবেন না।

কিন্ত ইবিএল ভিসা লাইফ স্টাইল প্রিপেইড কার্ড  থেকে জমা থাকা সকল ডলারকে টাকায় পরিবর্তন করে বুথ হতে নগদে তুলে ফেলতে পারবেন। ইবিএল  কার্ডে- পাসপোর্ট এর মেয়াদ নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ডলার ব্যবহার করা যায় না।

কিন্ত ভার্সুয়াল ভিসা কার্ড ব্যবহারের জন্য পাসপোর্ট লাগে না। বিকাশে পেমেন্ট করেই এই কার্ড ক্রয় করা যায়।

ডেবিট কার্ড হারিয়ে গেলে ব্যাংকে একটি ফোন দিলেই যথেষ্ট। ৫০০টাকায় একই কার্ড তুলতে পারবেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.